ঢাকা,  সোমবার   ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ দেশজুড়ে ]

ঈদ আনন্দে মুখর চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্র

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২২:১৫, ২২ এপ্রিল ২০২৩
ঈদ আনন্দে মুখর চট্টগ্রামের বিনোদন কেন্দ্র
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঈদের দিনে দর্শনার্থীদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে চট্টগ্রামের সব বিনোদন কেন্দ্র। গরমের তীব্রতায় সকাল থেকে কিছুটা ফাঁকা থাকলেও বিকেলের পর থেকে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে বেড়েছে নারী-শিশুসহ সব বয়সী মানুষের ভিড়।

দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত পতেঙ্গা, কর্ণফুলী নদীর পাড় নেভাল, আগ্রাবাদের কর্ণফুলী শিশু পার্ক, ফয়’স লেক, চিড়িয়াখানা, সি-ওয়ার্ল্ডসহ কয়েকটি বিনোদন কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে ঠিক একই চিত্র।

বন্ধুদের সঙ্গে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে এসেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মো. সাজিদুল ইসলাম। ডেইলি বাংলাদেশকে তিনি বলেন, ঈদের ছুটিতে পরিবার, স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাচ্ছি। সকাল থেকে বাসায় ছিলাম। স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। বিকেলে বন্ধুদের সঙ্গে বেরিয়ে পতেঙ্গা এসেছি। ঈদের কয়েকদিন মোটামুটি ঘোরাফেরা চলবে। বিনোদন কেন্দ্রগুলো সব সুন্দরভাবে সাজানো হয়েছে। দেখে ভালো লাগছে।

পরিবার নিয়ে কর্ণফুলী শিশু পার্কে আসা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ঈদের আনন্দ শিশুদের জন্যই। ছোটবেলায় আমরা দিনগুলো পার করে এসেছি। এখন আমাদের সন্তানরা করছে। ঈদে স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়, ভালো লাগে। আবার বাচ্চাদের আবদারও মেটাতে হয়। তাই বিকেলে একটু বেরিয়ে পার্কে এসেছি। ভালো লাগছে।

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় খাঁচায় বন্দি বাঘ, সিংহ, হরিণ, জেব্রাসহ নানা প্রজাতির পশুপাখি দেখে মুগ্ধ চতুর্থ শ্রেণি পড়ুয়া তাসনিম। বাবার মুঠোফোনে ধারণ করছিল এসবের ছবি। 

ডেইলি বাংলাদেশকে তাসনিম বলেন, প্রতিবছর ঈদে আমি বাবার সঙ্গে চিড়িয়াখানায় আসি। এখানে বাঘ, সিংহ, হরিণ, জেব্রা ও নানা রকমের পাখি দেখতে আমার ভালো লাগে।

চিড়িয়াখানার চিকিৎসক ও ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ বলেন, সকালে কম থাকলেও বিকেল থেকেই দর্শনার্থীদের ভিড় বেড়েছে চিড়িয়াখানায়। গরমের তীব্রতা কমলে সামনে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরো বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে চিড়িয়াখানাকে সম্পূর্ণভাবে সাজানো হয়েছে। নতুন পশুপাখি সংযোজন করা হয়েছে।

চিড়িয়াখানার পাশে থাকা কনকর্ডের ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্ক এবং সি-ওয়ার্ল্ডও সেজেছে ঈদের সাজে। দর্শনার্থীদের আকর্ষণ বাড়াতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে কনকর্ড কর্তৃপক্ষ। সেখানেও দর্শনার্থীর সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো।

ফয়’স লেক অ্যামিউজমেন্ট পার্কের ডেপুটি ম্যানেজার (মার্কেটিং) বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, গত ঈদে ফয়’স লেক-এ দর্শনার্থীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। ১০ দিনে প্রায় ৫৫ হাজার দর্শনার্থী প্রবেশ করেছিল। এবার সে সংখ্যা দ্বিগুণ হবে বলে আমরা আশা করছি। ঈদ উপলক্ষে নানা উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এইচএন
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!