বুধবার দুপুরে মমিনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন বগুড়া র্যাব ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মীর মনির হোসেন। এর আগে, মঙ্গলবার রাতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। র্যাব-১২ (বগুড়া) এবং র্যাব-১০ (সদর কোম্পানি, কেরাণীগঞ্জ) এর যৌথ অভিযানে মমিনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
৩০ বছরের মমিন বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম সিদ্দিক প্রামাণিক। নিহত কাজলী বেওয়া একই গ্রামের বাসিন্দা।
.png)
জানা গেছে, পারিবারিক কলহের জেরে গত ২৭ এপ্রিল সকালে মমিন তার মেয়ে মৌসুমিকে শাসন করার জন্য হাতে লাঠি নিয়ে তাড়া করেন। বিষয়টি নজরে পড়তেই মমিনের মা কাজলী নাতনিকে রক্ষা করতে এগিয়ে যান। তখনই মমিনের লাঠির আঘাত কাজলীর কপালে লেগে যায়। এতে কাজলী গুরুতর আহত হলে প্রথমে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসকের কাছে এবং পরে তাকে বগুড়ার শজিমেক হাসপাতালে নেন স্বজনরা। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরদিন গত ২৮ এপ্রিল সকালে তার মৃত্যু হয়।
পরবর্তীতে কাজলীর পরিবার গোপনে তার লাশ দাফনের চেষ্টা করছিল। তবে বিষয়টি জানতে পেরে ঘটনাস্থল থেকে লাশ হেফাজতে নিয়ে ময়নাতদন্তের জন্য শজিমেক হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ। পরে শুক্রবার রাতেই মমিনকে আসামি করে সারিয়াকান্দি থানায় হত্যা মামলা করা হয়। মামলাটি করেন নিহতের ভাই মোকশেদুর রহমান। এরপর থেকেই মমিন পলাতক ছিলেন।
জানতে চাইলে র্যাব কর্মকর্তা মীর মনির হোসেন বলেন, কাজলীর মৃত্যুর ঘটনায় মামলার পর থেকেই আসামিকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে নজরদারি শুরু করা হয়। একপর্যায়ে মমিনের অবস্থান নিশ্চিত হওয়া যায়। পরে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মমিনকে সারিয়াকান্দি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।