সোমবার খুলনা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩–এর বিচারক আবদুস সালাম এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রুবেল খান। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন খুলনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩ এর স্পেশাল পিপি ফরিদ আহমেদ ।
বাদী পক্ষের আইনজীবী মোমিনুল ইসলাম বলেন, দীর্ঘ ১৯ বছর পর এ মামলাটি হঠাৎ করে সোমবার শিশু আইন হিসেবে গণ্য করে রায় দেওয়াকে গ্রহণ করতে পারছিনা। আমরা সংক্ষুব্ধ হয়েছি। এ মামলা উচ্চ আদালতে গেলে বাদী সঠিক বিচার পাবে। তিনি বলেন, মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার পক্ষ থেকে এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।
.png)
জানা গেছে, ২০০৪ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে অপু ঘরে ভাত খাচ্ছিল। এ সময়ে মামলার আসামি উজ্জ্বল অপুকে ডাকতে থাকে আর অন্যান্য আসামিরা বাইরে দাঁড়িয়ে ছিল। অপুর বাবা মজনু ডেকে দিলে আসামিদের সঙ্গে সে বাইরে চলে যায়। রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উজ্জলকে অপুর বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তর দেয় আপনাদের বাসায় ১ সপ্তাহের বেশি আসি না। এমন উত্তরে অপুর বাবা চিন্তিত হয়ে পড়েন। সম্ভাব্য সবস্থানে তার খোঁজ নিয়ে ব্যর্থ হন তিনি। পরবর্তীতে তিনি উল্লিখিত সকল আসামিদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন। পরেরদিন আসামিদের স্বীকারোক্তিতে মুজগুন্নি কৃষি ব্যাংকের সীমানা প্রাচীরের পাশের ধানক্ষেত থেকে অপুর ক্ষত বিক্ষত মরদেহ উদ্ধার করে।