আবহাওয়া অধিদফতর জানায়,শনিবার সন্ধ্যায় এ ঘূর্ণিঝড়ের অগ্রভাগের প্রভাব পড়তে শুরু করবে কক্সবাজার ও এর কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকায়।
এদিকে সুন্দরবন কোলঘেঁষা বলেশ্বর নদ সংলগ্ন বেড়িবাঁধ এলাকার মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কেউ নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুর রহিম বলেন, বর্তমানে নদীতে চলছে ভাটা, কিন্তু পানির যে চাপ তাতে মনে হয় নদীতে জোয়ার বইছে। এই পানির চাপেই সিডরে বেড়িবাঁধ ভেঙে অনেক মানুষের প্রাণহানি হয়েছে, অনেক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছিলো। এখন পানির যেভাবে চাপ দেখা যায় তাতে আমরা আতংকিত।
গহরপুর গ্রামের মিন্টু খান বলেন, সিডরের সময় আঘাত হানার তিনদিন আগে থেকেই ভারী বৃষ্টি ও বাতাস ছিলো, কিন্তু মোখায় দেখছি ভিন্ন। আবহাওয়ার তথ্যানুযায়ী আঘাতহানার আগ থেকেই প্রচন্ড গরম আকাশ মেঘলা, বাতাস নেই। এখানেই ভয় আমাদের।
পাথরঘাটা উপজেলা পিআইও মোকছেদুল আলম বলেন, ঘূর্নিঝড় মোখার ক্ষতি থেকে বাঁচতে আমরা প্রস্তুতি নেয়া আছে। আগে থেকেই উপকূলে প্রচারণা চালানো হয়েছে এখনো অব্যহত আছে।
ইউএনও সুফল চন্দ্র গোলদার বলেন, ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করছি। আমরা এরই মধ্যেই আশ্রয় কেন্দ্রসহ উপকূলে সকল মাধ্যমিক ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবনগুলো খুলে দেয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে, এমনকি প্রয়োজনে ওইসব বিদ্যালয়ে অফিস রুম খুলে দিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুদ আছে।