মঙ্গলবার বিকেলে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিম খাঁ বাড়িতে রিয়াদের মরদেহ পৌঁছালে কান্নায় ভেঙে পড়েন স্বজনরা। এরপর জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানা যায়, রিয়াদ নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সিরাজপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আজিম খাঁ বাড়ির আনোয়ার হোসেনের ছেলে। তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে রিয়াদই ছিলেন সবার বড়।
.png)
স্বজনরা জানান, ২ বছর আগে পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে ওমান পাড়ি দেন রিয়াদ। কিন্তু গত ৫ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ১০টার দিকে ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করার সময় তিন তলা থেকে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হন রিয়াদ। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিলে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।
নিহত রিয়াদের বাবা আনোয়ার হোসেন কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার ছেলে ২০২০ সালে ওমানে পাড়ি জমিয়েছিলো। সে আমার বড় ছেলে। বিয়েও করাতে পারিনি। এবার বাড়িতে এসে বিয়ে করার কথা ছিল। কিন্তু আমার বাবা লাশ হয়ে ফিরে এলো।
সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মিকন বলেন, ভাগ্য ফেরাতে গিয়ে রিয়াদ আজ কফিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরেছেন। এক নজর মরদেহ দেখার জন্য ভিড় করেন আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও এলাকার শত শত নারী-পুরুষ। তার মৃত্যু এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।