নিহত শাওন নান্দিনা গ্রামের গোলাম মোস্তফা ওরফে মুক্তির ছেলে। তারা দুই ভাই এবং নান্দিনা ময়নামতি মার্কেটে একটি গার্মেন্টেসের কর্মচারী ছিল শাওন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে শাওন তার এক বন্ধুকে নিয়ে নান্দিনা নেকজাহান রোডে শাহীন স্কুলের সামনের সিঁড়িতে বসে মোবাইল চালাচ্ছিল। এমন সময় পূর্ব বিরোধের জের ধরে একই এলাকার মুক্তার হোসেন বসার ছেলে নান্দিনা বাজারে কাঁচামালের কুলি শহিদুল ইসলাম শহিদ (২৫) ধারালো ছুরি নিয়ে অতর্কিতভাবে শাওনের বুকে ছুরিকাঘাত করে দৌঁড়ে পালিয়ে যায়।
.png)
গুরুতর আহতাবস্থায় উদ্ধার করে শাওনকে প্রথমে নান্দিনা জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে রাত ৮টায় হাসপাতালে শাওন মারা যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় ইউপি সদস্য আব্দুল কদ্দুছ কদর মেম্বার ও স্থানীয় বাসিন্দা মানিক বলেন, গত ১০ থেকে ১২দিন আগে শাওনের সঙ্গে শহিদের তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে ঝগড়া হলে আমরা গ্রাম্য শালিস বসিয়ে বিষয়টি মীমাংসা করি। কিন্তু ঐ ঝগড়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে আমরা ধারণা করছি।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী শাহনেওয়াজ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আসামিকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। শাওনের মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে রাখা হয়েছে। সেখানে ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।