বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের কলবাড়ি বাজারে পাশে এই ধস নামে।
স্থানীয়রা জানান, অতিরিক্ত জোয়ারের চাপে দুপুরের দিকে চুনা নদীর বাঁধে মাঝ বরাবর ধস নামে। এতে বেশকিছু জায়গাজুড়ে দেবে গেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সংস্কার করা না হলে বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হতে পারে গোটা এলাকা।
.png)
চুনা নদীর যে স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে সেখানে আগে থেকে ঘেরে পানি তোলার জন্য একটি মিনি স্লুইস গেট ছিল। বিষয়টি পাউবো কর্মকর্তাদের অবগত করলে গেটটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কিন্তু অসাধু ঘের ব্যবসায়ীরা রাতের আঁধারে সেখান থেকে পুনরায় পানি তোলার জন্য পাইপ বসায়। এতে অতিরিক্ত জোয়ারের চাপে দেবে গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা জিএম রুস্তুম আলি বলেন, দুপুর ১২টার দিকে হঠাৎ দেখি ভাঙন দেখা যাচ্ছে। অনেকটা জায়গাজুড়ে দেবে গেছে। যদি দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়া না হলে, তাহলে আমরা ভেসে যাব।
সোহাগ হোসেন বলেন, যে ভাঙন দেখা দিয়েছে, তাতে বেড়িবাঁধ নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর তা না হলে ঘরবাড়ি, শিক্ষা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নষ্ট হয়ে যাবে।
শ্যামনগরের দায়িত্ব থাকা পাউবোর এসডিও জাকির হোসেন বলেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়েছি।