খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার এসআই বুলবুল কবীর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। মৃত আছিয়া পারভীন ওই এলাকার আবু বককার শেখের মেয়ে ও রহমতপুর নবযুগ শিক্ষা সোপান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।
জানা গেছে, আছিয়া পারভীনের প্রায় ১ মাস পূর্বে শ্যামনগর উপজেলার জয়নগর গ্রামের আবু মুছার ছেলে মাছুম বিল্লাহর সঙ্গে বিয়ে হয়।
.png)
আছিয়া পারভীনের ভাই একরামুল হোসেন জানান, তার ভগ্নিপতি, বোন ও বাবা বাড়িতে ছিলেন। তার ভগ্নিপতি ও বাবা ঘুমাচ্ছিলেন পাশের কক্ষেই। এ সময় তার বোন আত্মহত্যা করে।
তিনি আরো জানান, একরামুল ও তার মা নাছিমা খাতুন বাড়ির বাইরে ছিলেন। বাইরে থেকে এসে রুমে ঢুকে বোন আছিয়া পারভীনকে আড়ার সঙ্গে ফাঁস নিয়ে ঝুলে থাকতে দেখেন। তাৎক্ষণিক পরিবারের সদস্যরা রশি কেটে নিচে নামালেও ততক্ষণে তার মৃত্যু ঘটে।
আছিয়ার মা নাছিমা খাতুন জানান, তার মেয়ের মানসিক সমস্যা ছিল এবং বিভিন্ন সময়ে আত্মহত্যার কথা বলত।
কালিগঞ্জ থানার ওসি মামুন রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।