নিহতরা হলেন- আত্রাই উপজেলার শাহাগোলা ইউনিয়নের ঝনঝনিয়া গ্রামের মৃত আজিজার প্রামাণিকের ছেলে রমজান আলী (৩৩) ও বিষা ইউনিয়নের উদয়পুর মন্ডলপাড়া গ্রামের মৃত রহমান সরদারের ছেলে আব্দুল বারেক সরদার (৪৫)।
সংসারে স্বচ্ছতা আনতে ১২ বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান আব্দুল বারেক সরদার। এর দুই বছর আগে স্ট্রোক করে অচল হয়ে যান বারেক সরদার। দীর্ঘ দেড় বছর চিকিৎসা শেষে পুনরায় সৌদি আরবের দাম্মাম শহরের একটি সোফা কারখানায় কাজ শুরু করেন তিনি। কিন্তু সৌদি আরবে অগ্নিকাণ্ডে মারা যান আব্দুল বারেক।
.png)
নিহত বারেক সরদারের বড় ভাই শাহাদাত হোসেন বলেন, সবশেষ গত ২০১০ সালে ভাই বাড়িতে এসেছিলেন। এরপর আবারো যান সৌদি আরব। তার দুই মেয়ে রয়েছে। সৌদি আরবে আমাদের এক ভাই এবং ভাতিজা রয়েছে। তারাই বারেকের মৃত্যুর ঘটনা আমাদের জানান। এই পরিবারের বারেক ছিল একমাত্র উপার্জনের ব্যক্তি। এভাবে তার চলে যাওয়া কিছুতেই মানতে পারছি না। বড় মেয়েটার বিয়ে দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বাড়িতে এক মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে।
আত্রাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ইকতেখারুল ইসলাম বলেন, দুইজন মারা যাওয়ার তথ্য পেয়েছি। তবে কতজন মারা গেছেন তা জানা নেই। বিষয়টি জানতে দূতাবাসে যোগাযোগ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শুক্রবার (১৪ জুলাই) রিয়াদ থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে সৌদি আরবের দাম্মামের হুফুফ শহরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এলাকায় সন্ধ্যার সময় ওই ফার্নিচার কারখানায় অগ্নিকাণ্ড ঘটে। এতে নয়জন পুড়ে মারা যান। নিহত ৯ জনের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি। ৯ জনের মধ্যে বারেক সরদারের বাড়ি নওগাঁয়।