কক্সবাজারের উখিয়ার পালংখালীর ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দীন চৌধুরী জানান, রোহিঙ্গারা দিনদিন আরো বেপরোয়া হয়ে উঠছে। খুন, অপহরণ মাদকদ্রব্য পাচারে জড়িয়ে পড়ছে রোহিঙ্গারা। স্থানীয় যুবকরা রোহিঙ্গাদের কারণে অপরাধের দিকে ঝুঁকে বিপদগামী হয়ে উঠছে। এমনকি শিক্ষার্থীরাও রোহিঙ্গাদের ছোঁয়ায় অপরাধ থেকে বাদ পড়ছে না।
উখিয়া থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ আলী জানান, উখিয়ার স্থানীয় বাসিন্দা প্রায় আড়াই লাখ। এর বাইরে রোহিঙ্গাদের সংখ্যা প্রায় ১০ লাখ। এই সাড়ে ১২ লাখ মানুষের চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে র্যাব, পুলিশ ও এপিবিএনকে।
.png)
টেকনাফ থানার ওসি আবদুল হালিম জানান, পুলিশ এপিবিএন, বিজিবি ও র্যাবের যৌথ অভিযান চলছে উখিয়া, টেকনাফ ও রোহিঙ্গা ক্যাম্পে। গত একমাসে বেশ কয়েকটি অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
১৪ এপিবিএন এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি সৈয়দ হারুনর রশিদ জানান, অনেক ক্যাম্প পাহাড়ের দুর্গম এলাকায়। কে কখন কোন দিক দিয়ে আঘাত করে তা বুঝে উঠা কষ্টসাধ্য। তারপরও আরসা, আরএসও শনাক্ত করে চলছে যৌথ অভিযান। এতে সফলতাও এসেছে। এক সপ্তাহে ১৫ জন রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করে থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।