রোববার ভোরে মাগুরা শহরের সাহাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত লাভলু দাস জেলার নিজনান্দুয়ালী গ্রামের তপন দাসের ছেলে।
জানা গেছে, লাভলু দাস প্রথমে ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলার সাচিলাপুর গ্রামের লক্ষ্মী দাসকে বিয়ে করেন। সেখানে তার দুই ছেলে-মেয়ে রয়েছে। কিছুদিন আগে প্রথম স্ত্রীর অগোচরে লাভলু নিজের খালাতো বোন স্মৃতি দাসকে বিয়ে করে মাগুরা শহরের সাহাপাড়ার ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। তবে এই বিয়েতে পারিবারের সম্মতি না থাকায় উভয়ের মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো।
.png)
এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ভোরে তাদের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তারা একে অপরের উপর চড়াও হন। এ সময় স্ত্রী স্মৃতি দাস ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করলে লাভলু দাস গুরুতর আহত হন। প্রতিবেশীরা লাভলুকে উদ্ধার করে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাগুরার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) দেবাশীষ কর্মকার জানান, তারা উভয়ের উপর হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে। ঘটনার পর লাভলু দাস নিহত হন। তবে স্মৃতি দাসও আহত হয়েছেন। মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন স্মৃতি দাসকে এরইমধ্যে আটক করা হয়েছে।