সোমবার দুপুরে মাদারীপুরের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক লাইলাতুল ফেরদৌস এ আদেশ প্রদান করেন। এ সময় অভিযুক্তরা পলাতক থাকায় আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার এজাহারে জানা যায়, ২০১৩ সালের ১১ সেপ্টেম্বর রাতে মোটরসাইকেলচালক শাহাদাত ঘরামীকে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বড়দুলালী গ্রাম থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পিতভাবে খুন করেন। নিহত শাহাদাত একজন মোটরসাইকেলচালক। তাকে মোটরসাইকেল ভাড়া নেয়ার কথা বলে ডেকে নেন অভিযুক্ত ফজলে, সেন্টু ও মিরাজ। এরপর তারা মাদারীপুরের সদর উপজেলার মোস্তফাপুর এলাকার এক নির্জন স্থানে এনে খুন করে মোটরসাইকেল নিয়ে পালিয়ে যান। এরপর মাদারীপুর সদর থানা পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার দুইদিন পরে নিহতের পিতা মোকসেদ ঘরামী মাদারীপুর সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা চলাকালে আসামিরা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
.png)
মোটরসাইকেলচালক শাহাদাতকে খুনের ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিন অভিযুক্তকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ এবং প্রত্যককে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডের আদেশ প্রদান করা হয়। অভিযুক্ত তিনজনই বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাসিন্দা।
মাদারীপুর জজকোর্টের পিপি সিদ্দিক সিং ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাষ্ট্রপক্ষ এ আদেশে সন্তুষ্ট। আমরা সাক্ষ্য প্রমাণের ভিত্তিতে প্রমাণ করতে পেরেছি আসামিরা ভিকটিমকে খুন করেছেন। মামলার অন্যতম আসামি ফজলের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করে ছয়টি ছয়টি ডাকাতি, হত্যা মামলা অস্তিত্ব পায়। এছাড়াও সেন্টু ও মিরাজ নামে দুই আসামি বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত বলে পুলিশ তদন্তে প্রমাণ পেয়েছে।
এদিকে, মামলার বাদী শাহাদাতের পিতা মোকসেদ ঘরামী আদালতের আদেশে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, আমরা চাই আদালত দ্রুততার আদেশ কার্যকর করুক।