বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. হেমায়েত উদ্দিন এ রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির নাম ফয়েজ আহমদ। তিনি সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার গলাখাল গ্রামের মহিবুর রহমানের ছেলে। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- একই গ্রামের সেবুল মিয়া, সাজিদ মিয়া, এহসানুল করিম শাহান এবং মো. ইসরাইল কবির মারজান।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সুনামগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) খায়রুল কবির রুমেন।
.png)
আদালত সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার গলাখাই গ্রামের মিজানুর রহমান খোকন মিয়ার সঙ্গে আসামি ফয়েজ মিয়া ও তার সহযোগীদের জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ ছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলা চলছিল। ২০২২ সালের ২১ জুলাই দুপুর ১২টার দিকে ‘নিজের জীবনের নিরাপত্তা নেই’ এমন মামলায় বিচারপ্রার্থী খোকন মিয়া আদালতে হাজিরা দিতে আসেন। এদিন দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে আইনজীবী সমিতির সামনে মিজানুর রহমান খোকন মিয়াকে একা পেয়ে আসামি ফয়েজ, সাজিদ, সাহান ও সেবুল ছুরিকাঘাত করতে থাকেন।
বিষয়টি দেখে উপস্থিত জনতা, আইনজীবী ও তাদের সহকারীরা এগিয়ে এসে ফয়েজ, সাজিদ ও সেবুলকে ধরে আইনজীবী সমিতিতে আটকে রাখেন। সাহান নামে অপর একজন পালানোর সময় জনতার হাতে আটক হন। আটক তিনজনকে ছুরিসহ পুলিশে সোপর্দ করা হয়। পরে নিহতের বাবা ফটিক মিয়া বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার বিচারকাজ শেষে বুধবার আসামি ফয়েজকে মৃত্যুদণ্ড এবং চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় আসামি ফয়েজ মিয়া ও সেবুল মিয়া আদালতের এজলাসে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বাকি তিন আসামি পলাতক রয়েছেন।