বৃহস্পতিবার দুপুরে হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত (১) এর বিচারক মো. আজিজুল হক এ রায় ঘোষণা করেন।
নিহত ব্যবসায়ী আব্দুল হাই হবিগঞ্জ সদর উপজেলার সুলতানশী গ্রামের আব্দুল রশিদের ছেলে। আব্দুল হাই একজন চামড়া ব্যবসায়ী বলে জানা যায়। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল ওয়াহিদ একই গ্রামের মৃত আলীম উল্লাহর ছেলে।
.png)
জানা যায়, নিহত ব্যবসায়ী আব্দুল হাই’র কাছ থেকে ২ লাখ টাকা কর্জ হিসেবে নিয়েছিলেন আব্দুল ওয়াহিদ ও আব্দুর রশিদ। কিন্তু টাকা দেয়ার নির্ধারিত তারিখ পার হয়ে গেলেও তারা টাকা প্রদান করেনি। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার তাদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে ১৯৯৭ সালের ১ জুন পাওনা টাকা চাইতে গেলে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খুন হন ব্যবসায়ী আব্দুল হাই। পরের দিন ২ জুন এ ঘটনায় নিহতের ভাই আব্দুল ছফি বাদী হয়ে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ২০ জন সাক্ষীর স্বাক্ষ্য প্রমাণ শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় ঘোষণা করেন আদালত।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এপিপি সালেহ উদ্দিন আহমেদ জানান, আমরা এ রায়ে খুশি। এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায় বিচার পেয়েছে নিহতের স্বজনরা। আমরা চাই দ্রুত যেন এ রায় কার্যকর করা হয়। অপরদিকে রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আসামি পক্ষের আইনজীবী আব্দুল মালেক। তারা এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে যাবেন বলে জানান।