প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, গত ২৫ আগস্ট সকালে নালিতাবাড়ী উপজেলার রাণীগাঁও গ্রামে নির্মাণাধীন অটোরাইস মিলে কর্মরত শ্রমিক দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানাধীন বিক্রমপুর গ্রামের মৃত কান্দেলা মুরমুর ছেলে লিটন মুরমুর রক্তাক্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
ঐ ঘটনায় লিটন মুরমুর বড়ভাই বাবলু মুরমু বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এক পর্যায়ে পুলিশ সুপারের তদারকি ও দিক-নির্দেশনায় গত ২৮ আগস্ট একই মিলে কর্মরত সহকর্মী দিনাজপুরের বিরল থানাধীন কাশিডাঙ্গা এলাকার মোজাফফর আলীর ছেলে রাকিবুল ইসলামকে গ্রেফতার করে।
.png)
মামলার চারদিনের মধ্যে গ্রেফতারকৃত রাকিব জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে স্বীকার করে যে লিটন মুরমুর সঙ্গে গাঁজা সেবনকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটি ও অশ্লীল গালিগালাজ করায় তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে পাশে থাকা লোহার রড দিয়ে লিটনের মাথার পেছনে আঘাত করে তাকে হত্যা করেন এবং সঙ্গে থাকা ৩ হাজার ৭০০ টাকাসহ মানিব্যাগ নিয়ে নেন। পরে মানিব্যাগসহ হত্যায় ব্যবহৃত লোহার রড পাশের ডোবায় ফেলে দেন। পরে তার দেওয়া তথ্য মোতাবেক টাকা, মানিব্যাগ ও লোহার রড উদ্ধার করে পুলিশ।
এদিকে, মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শরিফুল ইসলাম খানের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন রাকিবুল। পরে তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।