শুক্রবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন লমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক।
নিহত মিতু আক্তার কুড়িগ্রাম জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়ালডাঙ্গা খেতাবখা এলাকার মোহাম্মদ ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত স্বামী আতিকুল ইসলাম লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়নের দাড়ারপাড় মুন্সিটারী এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান ওরফে হবিয়ার ছেলে।
.png)
জানা যায়, দুই বছর আগে মিতুর সঙ্গে বিয়ে হয় আতিকুলের। বিয়ের পর তাদের সাংসারিক জীবন ভালোই চলছিল। গত ১৫-২০ দিন আগে তাদের মধ্যে ঝগড়া লাগে। এরপর আতিকুল তার সঙ্গে আর সংসার করবে না বলে বাড়ি থেকে বের করে দেন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মিমাংসা করে দিলে তারা আবারো আগের মতই সংসার করতে থাকে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে আবারো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হয়। এরপর মারামারির শব্দ শুনতে পান এলাকাবাসী। কিন্তু ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসী ভেতরে ঢুকতে পারেননি। পরদিন বৃহস্পতিবার সকালে পাঁচ মাসের মেয়ে আতিকার কান্নার শব্দ শুনতে পান তারা। পরে স্থানীয় লাভলুসহ কয়েকজন ঘরে ঢুকেতেই দেখতে পান শিশু আতিকা মেঝেতে কান্না করছে আর তার মায়ের (মিতু আক্তার) লাশ বিছানায় পড়ে আছে। বিষয়টি পুলিশকে জানান তারা।
পরে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ সময় শিশু আতিকাকে তার নানার হেফাজতে দেওয়া হয়। ওইদিন রাতেই নিহত গৃহবধূ মিতুর বাবা আতিকুলকে আসামি করে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ওসি ওমর ফারুক বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।