দুপুরে জামালপুর র্যাব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব ১৪ সিপিসি-১ এর কোম্পানি কমান্ডার আশিক উজ্জামান।
র্যাবের এই কর্মকর্তা জানান, ৬ মাস আগে মেলান্দহের চরপলিশা গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে রিথির সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের আল মামুনের ছেলে রাব্বির। প্রেম করে বিয়ে করায় এই সম্পর্ক মেনে নিতে পারেনি রাব্বির পরিবার। এ জন্য প্রায়ই রিথির ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাত রাব্বির পরিবার। এরপরেও শ্বশুর বাড়িতেই থেকে যান রিথি।
.png)
তিনি আরো জানান, গত ২০ সেপ্টেম্বর বিকেলে শারীরিক নির্যাতনের একপর্যায়ে মারা যান রিথি। এ সময় রিথির মরদেহ বাড়িতে ফেলে পালিয়ে যান রাব্বি ও তার পরিবার। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে রিথির স্বজনরা গিয়ে মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেন।
এই ঘটনায় রিথির বাবা রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে মেলান্দহ থানায় রাব্বিসহ পাঁচজনের নামে একটি হত্যা মামলা করেন। এরপরই তদন্ত শুরু করে র্যাব।
এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার শেরপুরের জঙ্গলদী থেকে রাব্বির বাবা আল মামুনকে এবং আজ ভোরে গাজীপুরের শ্রীপুর থেকে রাব্বিকে গ্রেফতার করে র্যাব। গ্রেফতারকৃতদের মেলান্দহ থানায় হস্তান্তরের কথা জানিয়েছেন বলে জানান র্যাবের এ কর্মকর্তা।