বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে, বুধবার রাতে ভৈরব পৌরশহরের নদী বাংলা সেন্টার পয়েন্টের সামনে থেকে অভিযুক্ত স্বামী মোজাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মোজাহিদ হাসান পৌরশহরের কালিপুর মধ্যপাড়া এলাকার শেখ ইসহাক মিয়ার ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৮ মে ভৈরব পৌরশহর এলাকার এক মেয়ের সঙ্গে পারিবারিকভাবে দ্বিতীয় বিয়ে হয় মোজাহিদ হাসানের। মোজাহিদ পেশায় একজন আদম ব্যবসায়ী। মোজাহিদের খারাপ ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে তার প্রথম স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে যান। দ্বিতীয় বিয়ের পর কিছুদিন যেতে না যেতেই ব্যবসার নাম করে মোজাহিদ যৌতুকের টাকার জন্য দ্বিতীয় স্ত্রীকে চাপ দেন। পরে মোজাহিদকে ১০ লাখ টাকা দেন ভুক্তভোগীর পরিবার। আবার কিছুদিন যেতে না যেতেই আরো টাকার জন্য চাপ দেন মোজাহিদ। এতেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ শুরু হয়। টাকা না দিলে নগ্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশের হুমকি দেন মোজাহিদ।
.png)
দীর্ঘদিন তাদের মধ্যে কলহের জেরে স্বামী-স্ত্রী দু’জনই যার যার বাড়িতে থাকতে শুরু করেন। হঠাৎ একদিন লোকমুখে ভুক্তভোগীর নগ্ন ছবি ও ভিডিও বিভিন্ন জনের মোবাইলে ছড়িয়ে দেওয়ার বিষয়টি জানতে পারে তার পরিবার। পরে ভিডিও ও ছবি অন্যদের কাছ থেকে সংগ্রহ করে গত ২৮ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-২ এ পর্নোগ্রাফি মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী। আদালতের নির্দেশে ভৈরব থানা পুলিশ অভিযুক্ত স্বামী মোজাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার ওসি মোহাম্মদ মাকছুদুল আলম জানান, আদালতের নির্দেশে মোজাহিদ হাসানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মোজাহিদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী। বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে কিশোরগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।