শনিবার সকালে ভাসমান অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
নিখোঁজরা হলেন- ৪০ বছরের ছাব্বির হোসেন, ১০ বছরের জান্নাতুল মাওয়া ও চার বছরের সাফা, আট বছরের মারওয়া ও দুই বছরের ইমাদ হোসেন।
.png)
জানা যায়, শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে বাল্কহেডের ধাক্কায় ১১ জন যাত্রী নিয়ে উত্তাল মেঘনায় ডুবে যায় ই ট্রলারটি। স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই সময় পাঁচজনকে জীবিত উদ্ধার হলেও নিখোঁজ ছিল ছয়জন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও কোস্টগার্ড বিআইডব্লিটিএ। তবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারেনি।
মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. আবুজাফর রিপন বলেন, ফায়ার সার্ভিস ও বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে নিখোঁজদের উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করছে। এছাড়া জেলা প্রশাসন ও নৌ-পুলিশ নিখোঁজদের সন্ধানে কাজ করে যাচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র উদ্ধারকারী জাহাজ প্রত্যয়ের কমান্ডার উপ-পরিচালক ওবাইদুল করিম জানান, ঘটনার পরে নৌপুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিটিএ ঘটনাস্থলে এসেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ শুরু করতে পারেনি। তবে তল্লাশি অভিযান শুরু করে তারা। শনিবার সকাল থেকে উদ্ধার অভিযান জোরদার করা হয়েছে। চিরকিশোরগঞ্জ ঘাটের তিনশ মিটার দূর থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।