তারা হলেন, মাধবদীর উত্তর বিরামপুর এলাকার লুৎফর মিয়ার ছেলে মুন্না (১৮) ও কালিবাড়ি এলাকার প্রবাসী জুবায়েরের স্ত্রী রিয়ামনি (১৮)।
স্থানীয়রা জানায়, চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে অকৃতকার্য হয় মুন্না। পরে সে পাইপ ফিটিংয়ের কাজ করতো। পরীক্ষায় ফেল করায় প্রায় সময়ই তার মন খারাপ থাকতো। বাবা ও মা স্থানীয় টেক্সাইল মিলে চাকরি করে। সকালে মা বাড়িতে এসে দেখে রুমের দরজা বন্ধ। পরে জানালা দিয়ে দেখতে পায় ঘরের সিলিংয়ের সঙ্গে মুন্নার দেহ ঝুলছে। তখন তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা রুমের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়।
.png)
অপরদিকে, সকালে কালিবাড়ি এলাকার এক সন্তানের জননী রিয়ামনির রুমের দরজা বন্ধ থাকতে দেখেন শ্বশুরবাড়ির লোকরা। তিনি বাইরে না আসায় ঘরে গিয়ে দেখে ধরনার সঙ্গে ওড়না পেঁচানো রিয়ামনির মরদেহ ঝুলছে। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
তবে নিহত রিয়ামনির বাবা আব্দুল হালিম বলেন, আমার মেয়েকে শাশুরি ও ননদ মিলে মেরে ফেলেছেন। তারা আমার মেয়েকে নানাভাবে নির্যাতন করতেন। তারাই আমার মেয়ের মৃত্যুর জন্য দায়ী।
মাধবদী থানার ওসি রকিবুজ্জামান বলেন, পৃথক স্থান থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালে মর্গে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পওয়ার পর বিস্তারিত বলা যাবে। এ ব্যাপারে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।