মঙ্গলবার দুপুরে ঐ তরুণী ও তার নবজাতককে দেখতে মোহাসিন আলীর বাড়িতে যান গাংনীর ইউএনও সাজিয়া সিদ্দিকা সেতু।
তিনি বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাকপ্রতিবন্ধী তরুণী ও তার কন্যাসন্তানের জন্য আর্থিক সহযোগিতা, পোশাক ও খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। আমরা আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খুব অল্প সময়ের মধ্যে মা-মেয়েকে কুষ্টিয়ায় প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
.png)
উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা আরশেদ আলী বলেন, ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশনা মোতাবেক দ্রুত সময়ের মধ্যে দিন-তারিখ ঠিক করে কুষ্টিয়ায় শারীরিক প্রতিবন্ধী নারীদের পুনর্বাসন কেন্দ্র ‘নতুন ঠিকানায়’ পাঠানো হবে।
এদিকে, ঐ তরুণীর পরিবারের খোঁজ-খবরের বিষয়ে গাংনী থানার ওসি তাজুল ইসলাম বলেন, বাকপ্রতিবন্ধী মেয়েটির ছবি আমরা বিভিন্ন জায়গায় দিয়েছি এবং খোঁজ খবর নিচ্ছি। আমরাও চাই তিনি তার পরিবারকে ফিরে পাক। তবে এখনো কোনো সন্ধান পাইনি।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার এক অন্তঃসত্ত্বা বাকপ্রতিবন্ধীকে রাস্তা থেকে নিয়ে বাড়িতে আশ্রয় দেন মোহাসিন নামের এক দিনমজুর। পরে শনিবার ঐ তরুণীর প্রসবব্যথা শুরু হলে স্থানীয় নারীদের সহযোগিতায় কন্যাসন্তান প্রসব করেন তিনি। পরে লোকজন নবজাতকের নাম রাখেন ‘ফাতেমা’। মা ও শিশু শারীরিকভাবে ঐ বাড়িতে সুস্থ রয়েছেন।
শুক্রবার সকালেই বিষয়টি থানায় অবগত করা হলে প্রতিবন্ধী ঐ তরুণীর পরিবারের সন্ধানে কাজ শুরু করে পুলিশ। তবে এখনো কোনো সন্ধান পায়নি পুলিশ।