ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডব: কক্সবাজারে অর্ধলক্ষাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত

কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:২৫, ২৫ অক্টোবর ২০২৩
ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডব: কক্সবাজারে অর্ধলক্ষাধিক ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

কক্সবাজারের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডবে জেলার ৪০ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান। এর মধ্যে সাড়ে ৫ হাজার ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত হয়েছে। আর ৩৪ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বেসরকারি হিসাবে বিধ্বস্ত বাড়ির সংখ্যা প্রায় অর্ধলক্ষাধিক বলে জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। এর মধ্যে সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত বাড়ির সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

বুধবার (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ঘূর্ণিঝড় হামুনের তাণ্ডবের ক্ষয়ক্ষতির বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান জেলা প্রশাসক। তিনি বলেন, হামুন অতিক্রমের ২৪ ঘণ্টা পর কক্সবাজারের কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা ও মোবাইল নের্টওয়াক সচল হয়েছে।

Advertisement

জেলা প্রশাসনের তথ্য বলছে, ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে তিনজনের প্রাণহানিসহ অন্তত শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন।

নিহতদের মধ্যে কক্সবাজার পৌরসভায় দেয়ালচাপায় একজন, মহেশখালী ও চকরিয়ায় গাছচাপায় আরো দুজনের মৃত্যু হয়েছে। তারা হলেন কক্সবাজার শহরের পাহাড়তলী এলাকার খুইল্ল্যা মিয়ার ছেলে আবদুল খালেক (৪০), মহেশখালী এলাকার হারাধন দে (৪৫) ও চকরিয়া বদরখালী এলাকার জাফর আহমদের ছেলে আসকর আলী (৪৭)।

মঙ্গলবার (২৪ অক্টোবর) রাত ৭টার পরই ঘূর্ণিঝড় হামুন কক্সবাজারে আঘাত হানে। এতে উপড়ে যায় গাছপালা ও ঘরবাড়ি। কক্সবাজার শহরের হলিডে মোড়, সদর হাসপাতাল সড়কেই উপড়ে পড়ে গাছপালা। একইসঙ্গে বৈদ্যুতিক খুঁটি উপড়ে পড়ায় সড়কে বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া কক্সবাজার জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের সামনেও উপড়ে পড়েছে গাছ। ঘূর্ণিঝড় হামুনের আঘাতে কক্সবাজার শহরের পাশাপাশি উপজেলা গুলোতেও একই ধরনের ঘটনার খবর পাওয়া গেছে।  

কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা সরওয়ার আলম জানান, প্রায় ১০ হাজার ঝাউগাছসহ বনের বিভিন্ন রেঞ্জ ও বিটে ১০-১২ হাজার ছোট বড় গাছ ভেঙে পড়েছে। একই চিত্র উত্তর বনবিভাগেরও। মানুষের বসত বাড়ির আঙিনা ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছ মিলে দুই লক্ষাধিক গাছ ভেঙে পড়েছে বলে জেলার ৯ টি উপজেলা ও চারটি পৌরসভায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে। স্থানীয় মেয়র, ইউপি চেয়ারম্যান ও মেম্বারদের দেয়া তথ্যে জানা যায়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: কক্সবাজার
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!