জাহিদুল খান শরীয়তপুর সদর উপজেলার চিকন্দী ইউনিয়নের দক্ষিণ কেবলনগর গোলকান্দি গ্রামের আব্দুর রশিদ খান ও আলেয়া বেগম দম্পত্তির ছেলে। তারা চার ভাই এক বোন। তাদের মধ্যে জাহিদুল ছোট। আর সাজ্জাদ হোসেন উবি জাজিরা উপজেলার জাজিরা ইউনিয়নের আহাদ্দি মাদবরকান্দি গ্রামের শাহজাহান উবি ও নুরজাহান বিবি দম্পত্তির ছেলে। তিন ভাইয়ের মধ্যে সাজ্জাদ ছোট।
জানা গেছে, দরিদ্র পরিবারের সংসারের হাল ধরতে চলতি বছরের ২৩ সেপ্টেম্বর জাহিদুল ও ২ ফেব্রুয়ারি সাজ্জাদ টুরিস্ট ভিসায় মালয়েশিয়া যান। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে মালয়েশিয়ার কেলান্তান রাজ্যের মাচাং জেলার কাম্পুং মাকা পুলাই চোনডংয়ে একটি হাইওয়ে ড্রেনের নির্মাণ কাজ করছিলেন ওই দুই তরুণ। তখন কাজ করার সময় ড্রেনের দুই পাশের মাটি পরে তাদের মৃত্যু হয়। পরে স্থানীয় ব্যক্তিদের সহযোগিতায় ওই দেশের পুলিশ তাদের লাশ উদ্ধার করে। লাশের ময়নাতদন্ত শেষে একটি হিমঘরে রাখা হয় তাদের লাশ।
.png)
নিহত জাহিদুলের বড় ভাই রাসেল খান বলেন, দুই মাস আগে জাহিদুল মালেশিয়া যায়। সেখানে ড্রেনের কাজ করতো। বৃহস্পতিবার কাজ করার সময় ড্রেনের দুই পাশের মাটি পরে ছোট ভাইটির মৃত্যু হয়। অল্প বয়সে ভাইটির মৃত্যু হলো।
সাজ্জাদের বড় ভাই আরিফ হোসেন বলেন, নয় মাস আগে আমার ছোট ভাই মালয়েশিয়া যায়। অল্প সময়ে ভাইকে হারালাম। আমার ভাইয়ের লাশ দ্রুত দেশে আনার দাবি জানাচ্ছি।
শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জ্যোতি বিকাশ চন্দ্র মৃত্যুর বিষয়ে তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, মৃত্যুর বিষয়ে আমি জেনেছি। নিহতের পরিবার আমার কাছে আসলে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে পরিবারটিকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে চেষ্টা করবো।