চা বিক্রেতা মজিবুল হক জানান, রুপাতলীর মোল্লাবাড়িতে সুমন মোল্লার রান্না ঘরে লাকড়ির মধ্যে বাচ্চা নিয়ে অবস্থান করছিল সাপটি। খবর পেয়ে তিনি রান্নাঘর থেকে গোখরা সাপটি ধরেছেন। তবে বাচ্চাগুলো অন্যত্র চলে গেছে। সাপটি তিন হাত লম্বা। সাপটি বর্তমানে তার হেফাজতে রয়েছে।
তিনি আরো জানান, নগরীর কালিজিরা অ্যাপোলো হাসপাতাল গলিতে তার চায়ের দোকান রয়েছে। শখের কারণে তিনি সাপ ধরেন। কয়েকদিন পর আবার ছেড়ে দেন। শখের কারণেই এ সাপটি ধরেছেন। শখ মিটে গেলে আবার ছেড়ে দেবেন।
.png)
মজিবুল হক জানান, সাপটি ধরে মাছ খাইয়ে দিয়েছেন। শনিবার রোদে রাখার জন্য সাপটি বের করেছিলেন। এর আগেও তার ধরা সাপকে নিজেই খাইয়ে দিয়েছেন। সাপটি নিজে খায় না। তাকে খাইয়ে দিতে হয়।
সুমন মোল্লা জানান, সাপটি তাদের রান্না ঘরে ডিমে তা দিয়েছিল। পরে বাচ্চা ফুটেছে। সাপটি দুর্বল থাকায় সহজে ধরা গেছে। পরে সাপটি চা দোকানি মজিবুল নিয়ে গেছেন।
উপকূলীয় বনাঞ্চল বরিশালের বন সংরক্ষক মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ খান বলেন, এভাবে বিষধর সাপ পালনের সুযোগ নেই। কোনো ধরনের সাপ পাওয়া গেলে সেক্ষেত্রে বন্যপ্রাণী দমন ইউনিটকে অবগত করতে হবে।