পিঠার মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় পিঠা ভাপা ও চিতই। এসব দোকানে প্রতিদিন বিকেল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে ভাপা ও চিতইসহ নানা প্রকার পিঠা বেচাকেনা।
পিঠাগুলোতে স্বাদমতো বিভিন্ন রকম উপকরণ মিশিয়ে তৈরি করা হচ্ছে এসব পিঠা। কম দাম আর মজার স্বাদের এ পিঠার চাহিদা প্রচুর। সন্ধ্যার দিকে দোকানগুলোতে সিরিয়াল পড়ে যায়।
.png)
ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, ডিম চিতই, পাটিসাপটা পিঠা। ধরণ অনুযায়ী এসব পিঠার দাম আলাদা। চিতই , ভাপা পিঠা, ডিম চিতই ও পাটিসাপটা পিঠা বিক্রি হয় ১০ টাকা করে। অনেক পিঠা খাওয়া হয় বিভিন্ন ধরণের ভর্তা দিয়ে। যেখানে রয়েছে- শুঁটকি, মরিচ ও সরিষার ভর্তা।
পিঠা বিক্রেতা দুলুর দোকানে নারকেল, কিচমিচ, খেজুর গুড়, বাদাম এসব দিয়ে তৈরি পিঠার স্বাদ নিতে রীতিমতো মানুষের ভিড় লেগে থাকে। দৈনিক আট থেকে দশ হাজার টাকা বিক্রি হয়। যেখান থেকে লাভ হয় তিন থেকে চার হাজার টাকা। আয়ের এ টাকায় স্ত্রী আর সন্তানদের নিয়ে সংসার চালাই।
শীতকালে পিঠার চাহিদা অনেক বেশি। তৈরি করার সঙ্গে সঙ্গে বিক্রি হয়ে যায়। প্রচুর টাকা উপার্জন করতে পারি এ সময়। আমি মানুষের চাহিদা অনুযায়ী চিতই, ভাপা, তেলের পিঠা এসব তৈরি করি।
স্কুলশিক্ষক রাজীব আফ্রাদ জানান, অনেক সময় ব্যস্ততার জন্য শখ থাকলেও বাসায় পিঠা তৈরি করা যায় না। তাই তৈরি করা পিঠা খেতে এসেছি। রাস্তার পাশের পিঠা হলেও এর স্বাদ অতুলনীয়।
ক্রেতা শেখ রিটন বলেন, শীতের মধ্যে গরম গরম ভাপা ও চিতই পিঠা খেতে ভালো লাগে। এজন্য এখান থেকে পিঠা কিনে খাচ্ছি।