আত্মহত্যার চেষ্টাকারী যুবক বারিক প্রামানিক উপজেলার বেতগাড়ি-ভবানীপুর গ্রামের মৃত বাহার আলীর ছেলে। তিনি মানসিক প্রতিন্ধী যুবক।
রেলওয়ের আনসার সদস্য (পিসি) শামীম হোসেন জানান, রেলওয়ের নিরাপত্তার জন্য সোমবার সকাল থেকে আমি ও সহকর্মী মিনার হোসেন গোনা রেলসেতু এলাকায় ডিউটি করছিলাম। সকাল আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে রাজশাহীগামী বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেন রাণীনগর স্টেশন ছেড়ে গোনা এলাকায় পৌঁছায়।
.png)
এ সময় গোনা রেলসেতুর পাশে রেললাইনের ওপরে এক যুবককে আমরা শুয়ে থাকতে দেখে অনেক ডাকাডাকি করি। কিন্তু তিনি কোনো উত্তর দিচ্ছিলেন না। তখন ট্রেনটি দুই-তিন শ’ মিটার দূরে ছিল। এ সময় আমরা দ্রুতগতিতে দৌঁড়ে গিয়ে ওই মানসিক প্রতিবন্ধী যুবককে উদ্ধার করে প্রাণে বাঁচাই। এরপর তার পরিবারে খবর দিলে তার বোন এসে স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতিতে ভাইকে নিয়ে যান।
বারিকের বোন মোছা. যমুনা বলেন, খবর পেয়ে আমি বাড়ি থেকে ছুটে আসি। এসে দেখি ভাই বারিককে নিয়ে দুই আনসার সদস্য ও স্থানীয় কয়েকজন বসে আছেন। এসে শুনি আমার ভাই আত্মহত্যা করার জন্য রেললাইনে শুয়ে ছিলেন। এ সময় ডিউটিরত দুই আনসার সদস্য আমার ভাইয়ের প্রাণ বাঁচিয়েছেন।
তিনি বলেন, আমার ভাই একজন মানসিক প্রতিবন্ধী। ভাইকে প্রাণে বাঁচানো জন্য ওই দুই আনসার সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।