ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন বাকেরগঞ্জ থানার ওসি এস এম মাকসুদুর রহমান।
সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ৮টার দিকে ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের চৌরাস্তা নামক স্থানে তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে জখম করা হয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়েছে।
.png)
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২১ এপ্রিল রাতে বাকেরগঞ্জ সোনাপুরা গ্রামের রবিউল ইসলাম রনি মোল্লাকে কুপিয়ে হত্যা এবং তার দুই ভাইকে কুপিয়ে জখমের ঘটনায় মামলার প্রধান আসামি ছিলেন জহিরুল ইসলাম। এছাড়া ২০১৬ সালের ১১ জুন ফরিদপুর ইউনিয়নের মহিউদ্দিন হাওলাদারকে কুপিয়ে হত্যা মামলারও প্রধান আসামি মামুন। আর নানা অভিযোগে বাকেরগঞ্জসহ আশপাশের বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলার আসামি তিনি।
ইউনিয়ন পরিষদের চৌকিদার আবদুর রহিম প্রত্যক্ষদর্শীর বরাত দিয়ে জানান, হেঁটে মামুন বাড়ির দিকে যাচ্ছিলেন। আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে আক্রমণ করে। তিনি দৌড়ে সড়কের পাশের বাগানের মধ্যে ঢুকে পালানোর চেষ্টা করেন। তখন তাকে ধাওয়া করে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায় দুর্বৃত্তরা।
ওসি এস এম মাকসুদুর রহমান জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে শুনি মামুন মেম্বার খুন হয়েছেন। মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হবে।