সাদিয়ার পরিবার জানায়, দীর্ঘ সময় ধরে সাদিয়ার কক্ষে তার শিশু কন্যা কান্নাকাটি করছিলো। এ সময় পরিবারের সদস্যরা দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে সাদিয়াকে ঝুলন্ত দেখতে পান। পরে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জানা গেছে, সাদিয়া আক্তার মির্জানগর ইউনিয়নের মেলাঘর গ্রামের ছুট্টো মিয়ার মেয়ে। দুই বছর আগে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য আবু বক্কর ছিদ্দিক আবু মিয়ার ছোট ভাই সৌদি প্রবাসী তানিম চৌধুরী জনির সঙ্গে তার বিয়ে হয়। জনি বর্তমানে সৌদি আরব রয়েছেন। বিয়ের পর থেকে তাদের সংসারে কলহ চলছিল। তাদের তাসফিয়া নামে ১০ মাস বয়সী এক কন্যা সন্তান রয়েছে।
.png)
সাদিয়ার মা নাসিমা আক্তার জানান, মঙ্গলবার সকালে সাদিয়ার স্বামী তানিম চৌধুরী জনি মোবাইলে কল দিয়ে তাকে গালিগালাজ করেন এবং তালাক দেবেন বলে হুমকি দেন। এতে স্বামীর ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।
তিনি আরো জানান, বিয়ের পর থেকে তানিম শ্বশুর-শাশুড়ি কারো সঙ্গে কথা বলতেন না। সৌদি যাওয়ার পর থেকে তার পরিবার সাদিয়ার ওপর বিভিন্ন অজুহাতে নির্যাতন করত।
পরশুরাম মডেল থানার এসআই তারেকুর রহমান বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্বামীর বকা শুনে অপমানে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। পরিবারের সদস্যদের পক্ষ থেকে অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ ফেনী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।