সোমবার চট্টগ্রামের চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ শরীফুল আলম ভূঁঞা এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত জিকু চৌধুরী নগরের দক্ষিণ কাট্টলীর ডা. মুকুল বাড়ির ডা. মুকুল শীলের ছেলে।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. ওমর ফুয়াদ বলেন, বাবাকে মারধরের মামলার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ছেলে জিকু চৌধুরীকে দুইটি ধারায় পাঁচ বছর করে মোট ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই রায়ে তাকে ১০ হাজার করে দুই ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। উভয় দণ্ড একসঙ্গে চলবে। জিকু চৌধুরী পলাতক রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
.png)
মামলার নথি থেকে জানা যায়, ২০২০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর নগরের পাহাড়তলী থানার ছদু চৌধুরী রোডের একটি ফার্মেসিতে অবস্থানকালে বাবা ডা. মুকুল শীলকে গালিগালাজ করে মেরে ফেলার হুমকি দেন ছেলে জিকু চৌধুরী। এ সময় বাবাকে কাঠ দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে বাম হাতে গুরুতর জখমও করেন তিনি। বাবা চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় ফার্মেসির তালা ভেঙে এক লাখ ২০ হাজার টাকা নিয়ে যান জিকু। পরবর্তীতে ভয়ভীতি দেখিয়ে বাবার কাছ থেকে ২০ লাখ টাকার চেক নিয়ে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেন তিনি।
এ ঘটনায় পাহাড়তলী থানায় মামলা করেন বাবা ডা. মুকুল শীল। মামলাটির তদন্ত শেষে ২০২১ সালের ৮ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। পরে ২০২৩ সালের ২৩ মে জিকুর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু করেন আদালত। মামলাটিতে ছয়জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়।