সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টায় একরামপুরস্থ আফতাব উদ্দিনের ভাড়াবাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পরে লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ।
নিহত শান্তা ইসলামের পিতা নজরুল ইসলাম জানান, গত বছরের ১ অক্টোবর আমার মেয়ের সঙ্গে আরিফের প্রেম করে বিয়ে হয়। বিষয়টি আমরা মেনে নিলেও আরিফ প্রতিনিয়ত যৌতুকের জন্য নির্যাতন করতেন। আমার মেয়ে বিষয়টি বলার পর তাকে জিজ্ঞাসা করলে উল্টো আমাদের নানাভাবে হুমকি দিতেন। ৭ জানুয়ারি রাতে শান্তা আমাদের জানায় যৌতুকের জন্য দিনভর নির্যাতন করেছেন আরিফ। সোমবার (৮ জানুয়ারি) দুপুরে ওই বাড়ি থেকে একজন ফোন করে জানান, মেয়ে ফাঁস নিয়েছে। আমরা দ্রুত গিয়ে মেয়ের লাশ নামানোর পর দেখি শরীরে বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন। আমরা নিশ্চিত, মেয়েকে হত্যার পর ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে গেছেন আরিফ।
.png)
স্থানীয়দের অভিযোগ, দক্ষিণ লক্ষনখোলা এলাকার শাহাবুদ্দিনের ছেলে আরিফ তার প্রথম স্ত্রীকেও হত্যা করেছিলেন। প্রথম স্ত্রী পান্না আক্তারকে পুড়িয়ে হত্যা করেছিলেন। যে মামলায় জেল খেটেছেন। জেল থেকে বেরিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন। দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে পুনরায় গত বছরের ১ অক্টোবর আরিফ তৃতীয় বিয়ে করেন। তাকেই ফের পিটিয়ে হত্যা করে পালিয়ে গেছেন।
এ বিষয়ে বন্দর থানা পুলিশের পরিদর্শক গোলাম মোস্তফা জানান, লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।