ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

৬ হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখতেন ভুয়া ডাক্তার হাবিবুর

নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৯:৩৮, ১২ জানুয়ারি ২০২৪
৬ হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখতেন ভুয়া ডাক্তার হাবিবুর
গ্রেফতার ভুয়া ডাক্তার রাকিব আহসান (প্রকৃত নাম হাবিবুর রহমান) -ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ল্যাবএইড হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনেস্টিক সেন্টার থেকে হাবিবুর রহমান নামে নিউরো মেডিসিনের সহকারী অধ্যাপক পরিচয়ে এক ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব-১১। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে ২ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।  একইসঙ্গে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্ত হাবিবুর রহমান (৪৭) রাজবাজী জেলার বালিয়াকান্দি থানার বাওনারা গ্রামের সোহরাব হোসেনের ছেলে।

শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার আলীপুর এলাকার চৌমুহনী-মাইজদী প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত ল্যাবএইড থেকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই ভুয়া ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।

Advertisement

র‍্যাব-১১ সিপিসি-৩ ক্যাম্পের কোম্পানি অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ভুয়া ডাক্তার রাকিব আহসান নিজেকে বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, ঢাকার সহকারী অধ্যাপক ও নিউরো মেডিসেনের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ল্যাব এইড ডায়াগনস্টিকে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা পূর্বক রোগী দেখার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন খবরের ভিত্তিতে র‍্যাব-১১ এবং জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার ভূমি আসিফ আল জিনাতসহ ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক নোয়াখালী শাখায় অভিযান চালায়। এ সময় প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নিজেকে একজন স্বীকৃত চিকিৎসক হিসেবে পরিচয় দেওয়ার অপরাধে হাবিবুর রহমানকে মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল আইনে ২ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। অনাদায়ে আরো ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত (ভুয়া ডাক্তার) নিজেকে ডা. রাকিব আহসান ও ডা. মো. রাকিব হাসান শুভ পরিচয় দিলেও তার প্রকৃত নাম হাবিবুর রহমান। গ্রেফতার আসামি নিজেকে এমবিবিএস ও নিউরো মেডিসেনের বিশেষজ্ঞ ডাক্তার পরিচয় দিয়ে মেডিল্যাব জেনারেল হাসপাতাল (মানিকগঞ্জ), আলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার (ঈশ্বরদী, পাবনা), কুয়েত প্রবাসী হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার (বরগুনা), ভোলা ডায়াগনস্টিক সেন্টার (ভোলা), কমফোর্ট ডায়াগনস্টিক ল্যাবসহ (বরিশাল) দেশের বিভিন্ন সুমানধন্য হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে জনসাধারণের সঙ্গে প্রতারণা পূর্বক রোগী দেখার নাম করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন।

অভিযানে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন, বেগমগঞ্জ উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ আল জিনাত ও জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের কর্মকর্তা ডা. ফয়সাল।  

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!