শুক্রবার (১২ জানুয়ারি) দিবাগত রাত ১২টার দিকে উপজেলার মেছের আলী মুন্সি কান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত দাউদ খান একই এলাকার মৃত ইসমাইল খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ৫ বছর আগে সংঘটিত মেছের আলী মুন্সি কান্দি এলাকার নুরুল ইসলাম হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ৩ নম্বর আসামি ছিলেন দাউদ খান। শুক্রবার রাতে বাজার থেকে নিজ বাড়ি ফিরছিলেন দাউদ খান। এ সময় তিনি তার বাড়ির দরজার সামনে পৌঁছালে আগে থেকে ওত পেতে থাকা অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার মুখে, মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মকভাবে কুপিয়ে হত্যা করেন।
.png)
পরে শনিবার সকালে তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় একই এলাকার মুজাম্মেল মাদবর (৪৫) নামের একজনকে আটক করে থানা পুলিশ।
এ বিষয়ে নাওডোবা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আলমগীর হোসাইন বলেন, রাতের আঁধারে কে বা কারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে তা জানা যায়নি। বিষয়টি আমি সকালে শুনতে পেয়েছি।
পদ্মা সেতু দক্ষিণ থানার এসআই ইয়াকুব আলী বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে দাউদ খানের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছি। কী কারণে দাউদ খানকে হত্যা করা হলো তা জানতে পারিনি। তবে সন্দেহভাজন একজনকে আটক করে থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে।