বৃহস্পতিবার দুপুরে সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বিচারক বেগম সালমা খাতুন এ রায় দেন। রায় ঘোষাণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
সাজাপ্রাপ্ত মো. মাসুদ তাড়াশ থানার আড়ংগাইল গ্রামের সুরুত আলীর ছেলে। নিহত স্ত্রী মুক্তি খাতুন একই উপজেলার শোলাপাড়া গ্রামের মোকসেদ আলী খানের মেয়ে।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিরাজগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ আদালতের বেঞ্চ সহকারী (পেশকার) মো. মুক্তার হোসেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামি মাসুদের সঙ্গে ঘটনার ৫ মাস আগে ভিকটিম মুক্তি খাতুনের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বিয়ের সময় ৩০ হাজার টাকা যৌতুক দেওয়ার কথা থাকলেও মুক্তির পরিবার বিয়ের সময় ১৩ হাজার টাকা দেন এবং বাকি ১৭ হাজার টাকার জন্য দু’মাসের সময় নেন। নির্ধারিত সময়ে যৌতুকের বাকি টাকা দিতে না পারায় মাসুদ ভিকটিমকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে লাশ তার ঘরে ফেলে রেখে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বাবা মোকসেদ আলী খান বাদী হয়ে ২০০৮ সালের ২৮ আগস্ট তাড়াশ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তদন্ত করে মামলাটির চার্জশিট প্রদান করে পুলিশ। আজ সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে এ রায় দেন আদালত।