নিহত মোহাম্মদ রাসেল (৪) ভাসানচর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের আজিজুল হকের ছেলে।
শনিবার সন্ধ্যায় ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। এর আগে, একইদিন সকাল সোয়া ৮টার দিকে ৮১ নম্বর ক্লাস্টারে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
.png)
আহতরা হলো, ঐ ক্লাস্টারের সফি আলমের মেয়ে মোবাশ্বেরা (৩), আবদুল হাকিমের ছেলে বশির উল্যাহ (১৫), আবদুর শুককুরের মেয়ে রশিদা (৩), আজিজুল হকের মেয়ে জোবায়েদা (১১), আমেনা খাতুন (২৪), মোহাম্মদ তৈয়বের ছেলে সফি (১২), সফি আলমের ছেলে রবিউল (৫), আজিজুল হকের ছেলে সোহেল (৫)।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সকালে ক্যাম্পের ৮১ নম্বর ক্লাস্টারের আব্দুর শুককুরের কক্ষের বারান্দায় থাকা গ্যাসের সিলিন্ডার লিকেজ হয়। একপর্যায়ে গ্যাস সিলিন্ডারটি বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে ৫ শিশুসহ ৯ জন আহত হয়। পরে অন্য রোহিঙ্গারা এগিয়ে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণ করায় কোনো অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেনি। পরে অগ্নিদগ্ধদের উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাদের মধ্যে ৭ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান শিশু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, আহত শিশুকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে সন্ধ্যায় মৃত্যু হয়। তাদের মধ্যে আরো ৬ জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে মেডিকেলে ভর্তি করানো হয়েছে।