রোববার বিকেলে উপজেলার ভবানীপুর বাজারে অবস্থিত ফাহিম সিএনজি পাম্প ও রানীরহাট এলাকার ফারজানা ফিলিং স্টেশনে এই অভিযান পরিচালিত হয়। এতে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুমন জিহাদী। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এসএম রেজাউল করিম, শেরপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের কর্মকর্তা নাদের হোসেনমসহ পুলিশ বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা ও সদস্যরা।
উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) এসএম রেজাউল করিম বলেন, কোনো প্রকার অনুমোদন বা লাইসেন্স ছাড়াই উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় কাভার্ডভ্যানে ভ্রাম্যমাণ সিএনজি পাম্প (ফাহিম সিএনজি পাম্প) বসিয়ে ব্যবসা করে যাচ্ছিল। যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। সেখানে প্রস্তাবিত ম্যাপ ও টেকনিক্যাল রিকয়ারমেন্টের সঙ্গে বাস্তবের কোনো মিল নেই। এমনকি কোনো টেকনিশিয়ানও নেই।
.png)
একইভাবে রানীরহাট এলাকায় লাইসেন্স ছাড়াই ঝুকিপূর্ণভাবে পরিচালিত হয়ে আসছিল ফারজানা ফিলিং স্টেশন। পাশাপাশি একই কক্ষে রয়েছে জেনারেটর, দশটি সিএনজি সিলিন্ডার, পুরো অফিসের সব বৈদ্যুতিক তারের হাব ও চেঞ্জ ওভার। এছাড়া ফায়ার সেফটি মেজারসহ বিষ্ফোরক অধিদফতর বা এনার্জি রেগুলেটিং অথোরিটি বা পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনসহ পরিবেশ অধিদফতরের কোনো কাগজ-পত্র দেখাতে পারেননি স্টেশনের সংশ্লিষ্টরা। এসব কারণে ওই দুটি পাম্প সিলগালা করা হয়। সেইসঙ্গে এক লাখ টাকা করে মোট দুই লাখ টাকা জরিমানা এবং দুইজনকে আটক করা হয়েছে।
জনস্বার্থে এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।