বুধবার ভোরে উপজেলার জালালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তারজিনা আক্তার স্মৃতির স্বামী তানজিল আহমেদকে আটক করেছে পুলিশ। তানজিল সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার গুনেরগাথী এলাকার আব্দুল মান্নানের পুত্র।
জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সাহেদানগড়া এলাকার আবু বক্তব সিদ্দিক মিয়ার কন্যার সঙ্গে বিয়ে হয় একই উপজেলার গুনেরগাথী গ্রামোর তানজিল আহমেদের সঙ্গে। দেড় বছর আগে তাদের কোলজুড়ে আসে একটি পুত্র সন্তান। তানজিন আহমেদ প্রায় দুই বছর আগে ওয়ালটনের সেলস অফিসার হিসেবে চাকরিতে যোগ দেন। প্রায় চার মাস আগে তিনি নকলায় বদলি হয়ে আসেন। সেই সুবাদে তিনি স্ত্রী-সন্তান নিয়ে নকলা পৌরসভা এলাকার জামালপুরের সাবেক পৌর কাউন্সিলর হাবুলের বাসায় ভাড়ায় থাকতেন।
.png)
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ঈদের ছুটিতে বাড়ি যাওয়ার জন্য তৈরি হন স্মৃতি। তানজিনেরও ছুটি পেতে রাত ৮টা বেজে যায়। সে সময় বাসায় গিয়ে তানজিন বলে, ছোট ছেলেকে নিয়ে এতরাতে যাওয়া ঠিক হবে না। রাস্তায় গাড়ির প্রচুর চাপ, সকালে যাব। এই কথা বলায় স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায় হাতাহাতিও হয়। পরে ছেলেকে নিয়ে তানজিল ঘুমিয়ে পড়েন। সেহরি খাওয়ার জন্য সজাগ পেয়ে দেখে স্মৃতি পাশে নেই। পরে বারান্দায় দিয়ে দেখা যায়, স্মৃতি গলায় উড়না পেঁচিয়ে বারান্দার গ্রিলের সঙ্গে ঝুলে আছেন। পরে তাকে উদ্ধার করে নকলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক স্মৃতিকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে নকলা থানার থানার ওসি আব্দুল কাদের মিয়া বলেন, ওই ঘটনায় আমরা নিহতের স্বামী তানজিলকে আটক করেছি। নিহতের লাশ থানা হেফাজতে রয়েছে। দুপক্ষের পরিবারের লোকজনদের খবর দেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনী কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন আছে।