শুক্রবার সকালে সাঙ্গু নদীতে জলবুদ্ধ ও গঙ্গাকে এ ফুল নিবেদন করে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায়ের হাজারো শিশু-নারী পুরুষ।
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ১১টি সম্প্রদায়ের মধ্যে শুধু বম, লুসাই, পাংখোয়া তিনটি সম্প্রদায় ব্যতীত অন্য সব সম্প্রদায় ভিন্ন ভিন্ন নামে এই বৃহৎ সামাজিক উৎসব প্রতিবছর পালন করে থেকে।
.png)
চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যা সম্প্রদায় ফুল দিয়ে ঘর সাজায়। আগামীকাল থেকে ঘরে ঘরে নানান পদের খাবারের আয়োজন করা হবে। একে অপরের বাড়িতে ঘুরে বেড়ান তারা। আর এজন্য কোনো ধরনের নিমন্ত্রণেরও প্রয়োজন নেই। যদিও বা আধুনিক এ যুগে এখন অনেকে একে অপরকে নিমন্ত্রণ করে থাকে।
১৪ এপ্রিল বয়োজোষ্ঠদেরকে গোসল করিয়ে তরুণ -তরুণীরা আর্শীবাদ চাইবে। ওইদিনও বাড়িতে বাড়িতে থাকবে খাবারের আয়োজন। পাড়াপ্রতিবেশি ও আত্মীয়দের করা হবে নিমন্ত্রণ।
হ্যাপি চাকমা নামের একজন বলেন, প্রতিবছর ১২ এপ্রিল পুরাতন বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানো হয়। গতবছর ভালো ছিলাম, আগামী বছরও ভালো থাকার আর্শীবাদ প্রার্থনা করি। সাঙ্গুনদীতে সবার মঙ্গল কামনা করি।
সুচিত্রা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, প্রতিবছর ১২ এপ্রিল তিন পার্বত্য জেলায় ১১টি সম্প্রদায় উৎসবমূখর পরিবেশে বিষু উৎসব পালন করে থাকে।
এদিকে প্রতিটি ফোঁটাই হোক শান্তির দূত, পৃথিবী হোক শান্তিময় জলধারা' এই স্লোগানে শনিবার থেকে চারদিনব্যাপী বান্দরবান পাহাড়ি অঞ্চলে শুরু হচ্ছে জলকেলী উৎসব। বুধবার স্থানীয় রেস্টুরেন্টে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান উৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি মংমংসিং মারমা ও সাধারণ সম্পাদক উক্যসিং মারমা।
বান্দরবানের সার্বিক প্রেক্ষাপটে এবারের বিজু, বিষু, সাংগ্রাই, বৈসু একটু ভিন্ন। গত ২ এপ্রিল ও ৩ এপ্রিল রুমা ও থানচিতে কেএনএফ ব্যাংক ডাকাতি ও অস্ত্রলুটের ঘটনায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যৌথবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান চলছে পাহাড়জুড়ে।