নিহত মোহাম্মাদ আলীর চার ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। এদের মধ্যে বড় ছেলে মশিউর রহমান খানের সঙ্গেই মোহাম্মাদ আলী বসবাস করতেন। দীর্ঘদিন ধরে মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী শয্যাশায়ী হওয়ায় মঙ্গলবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দ্বিতীয় বিয়ে করে বাড়িতে স্ত্রীকে নিয়ে আসেন তিনি।
এরপর থেকেই তার মেজো ছেলে রফিকুল তার বাবার সঙ্গে ঝগড়া শুরু করেন এবং তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেন। শুক্রবার রাতে বাড়ির সামনে কে বা কারা মোহাম্মাদ আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে ফেলে যায়। এ ঘটনার পর থেকেই নিহতের দুই ছেলে রফিকুল ও মোস্তাফিজ পলাতক।
.png)
তবে পুলিশ জানিয়েছে, ঘাতকদের আটকের চেষ্টা চলছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।