বুধবার ভোরে গুইসাপটি উদ্ধার করা হয়। গুইসাপটির দৈর্ঘ্য ৪ ফুট এবং ওজন প্রায় ৮ কেজি বলে ধারণা করছেন অনেকেই।
বাড়ির মালিক মোহাম্মদ রফিক জানান, ভোরে বাড়ির মুরগির ঘরে শব্দ করতে থাকলে সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে দেখি লম্বা একটি গুইসাপ মুরগিকে আক্রমণ করছে। তা দেখে ওই সাপটিকে বের করে রশি দিয়ে বেঁধে রাখি। পরে সকাল হলে গুইসাপটি পশ্চিমের বনে ছেড়ে দিয়ে আসি।
.png)
স্থানীয় বাসিন্দা শামসুল আলম শারেক জানান, মিয়ানমারে অভ্যন্তরীণ সংঘাতের কারণে বনে আগুন লেগে বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল পুড়ে গেছে। যার কারণে গুইসাপটি নাফ নদী পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের বনবিভাগে আশ্রয় নেয়ার জন্য আসার পথে নাফ নদী সীমান্তবর্তী একটি বাড়িতে খাবারের খোঁজে মুরগির ঘরে ঢুকে পড়ে।
তিনি আরো জানান, আমাদের বন থেকে কোনো দিন বন ছেড়ে গুইসাপ নদীর কিনারায় যাবে না। যেহেতু সাপটি উদ্ধার করা ব্যক্তিটির বাড়ি নাফ নদীর সীমান্তের কাছাকাছি, তাই অনেকেই আমাকে জানিয়েছেন সাপটি মিয়ানমার থেকে এসেছে।
হ্নীলা বন বিভাগের বিট কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, মিয়ানমারে যেহেতু অভ্যন্তরীণ সংঘাত চলছে সেহেতু জীবন বাঁচাতে গুইসাপটি বাংলাদেশে আসতে পারে। অতীতে এ রকম অনেক হাতি বা বন্যপ্রাণী বাংলাদেশে এসেছিল।