মঙ্গলবার দুপুরে জেলা দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. এহ্সানুল হক এ দণ্ডাদেশ দেন।
দুই দণ্ডাদেশ একই সঙ্গে চলবে বলেও রায়ে উল্লেখ করেছেন বিচারক। এছাড়া ভিন্ন আরেকটি ধারায় আসামিকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশও দিয়েছেন বিচারক।
.png)
মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০০০ সালে মেলান্দহ উপজেলার বীর হাতিজা গ্রামের ময়না শেখের মেয়ে মিনা বেগমের সঙ্গে একই উপজেলার মিনাল হকের বিয়ে হয়। তাদের ঔরসে দুটি সন্তান জন্ম নেয়। হঠাৎ তাদের দাম্পত্যে কলহ দেখা দিলে স্ত্রীকে তালাক দেন মিনাল। এ ঘটনায় সমঝোতা করে তাদের পুনরায় বিয়ে দেয় এলাকাবাসী। বিয়ের পর নারায়ণগঞ্জ গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি নেন তারা। এরমধ্যেই মিনাল আরেক বিয়ে করেন। সতীনের সংসারে নির্যাতন বেড়ে যায় মিনা বেগমের ওপর। একপর্যায়ে তারা কুরবানির ঈদে গ্রামের বাড়িতে আসেন। মিনার পরিবার মিনার খোঁজখবর নিতে গেলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। এতে সন্দেহ হলে মিনার শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মিনার সন্ধান না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। পরে কলাবাধা উচ্চ বিদ্যালয়ের পশ্চিমে একটি পুকুরে মিনা বেগমের বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় মিনা বেগমের ভাই মো. রাশেদ শেখ বাদী হয়ে ২০১৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ৬ জনের নামোল্লেখ ও ২-৩ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মেলান্দহ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলায় ১৯ জনের সাক্ষ্য নেন আদালত। ৬ আসামির মধ্যে ৫ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য-প্রমাণ না থাকায় তাদের খালাস দেয়া হয়।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট নির্মল কান্তি ভদ্র ও আসামি পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করেন অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান।