স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ইমরান মিয়া তার ফিশারি পুকুর খননের জন্য ড্রেজার দিয়ে মাটি তুলছেন। বুধবার দুপুরে মাটি খননের সময় হঠাৎ ড্রেজার মেশিন বন্ধ হয়ে যায়। শ্রমিকরা পাইপ খুলে মাটি-বালু সরানোর সময় হঠাৎ শক্ত বস্তু দেখতে পান। পরে শ্রমিকরা বস্তুটিকে ফিশারি মালিক ইমরান মিয়াকে দেখালে তিনি বোমা সাদৃশ্য বস্তু ভেবে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে বস্তুটি গ্রেনেড বলে শনাক্ত করে। গ্রেনেডটি অবিস্ফোরিত থাকায় পুকুর পাড়ে বালতিভর্তি পানিতে রেখে পুলিশি পাহারায় রাখা হয়েছে।
ফিশারি মালিক ইমরান খান জানান, আমাদের এই পুকুরটি ব্রিটিশ আমলের। তখন থেকেই পুকুরটি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছুদিন যাবত আমি পুকুরে মাছ চাষ করে আসছি। পুকুরের গভীরতা কমে যাওয়ায় এ বছর ড্রেজার দিয়ে সেটি খননের উদ্যোগ নিই। পুকুরটি খননকালে গ্রেনেডটি পাওয়া যায়।
.png)
কেন্দুয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক এনামুল হক (পিপিএম) বলেন, বুধবার দুপুরে অবিস্ফোরিত গ্রেনেডটি উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে রাখা হয়েছে। পুলিশ সেখানে অবস্থান করছে। এটিকে নিরাপদে ধ্বংস করার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। তাদের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।