সোমবার রাত থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত আটক রুহুল আমিনের বাড়িসহ উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে দেশে আনা ওইসব চিনি উদ্ধার করা হয়। গ্রেফতার রুহুল আমিন উপজেলার কাকরকান্দি ইউনিয়নের বড়ুয়াজানি এলাকার শের আলীর ছেলে।
পুলিশ জানায়, নালিতাবাড়ী দিয়ে রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে ভারতীয় চোরাই চিনি বাংলাদেশে ঢুকছে- এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পুলিশ ও নালিতাবাড়ী থানা পুলিশ। পরে চিনি চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত রুহুল আমিনের বাড়ি ও উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় থাকা গোডাউন থেকে মোট ১ হাজার ২৯২ বস্তা চোরাই চিনি উদ্ধার করা হয়। সেইসাথে গ্রেফতার করা হয় রুহুল আমিনকে। উদ্ধারকৃত চিনির পরিমাণ প্রায় ৬২ টন এবং এগুলোর বাজার মূল্য প্রায় পৌণে এক কোটি টাকা ।
.png)
শেরপুরের পুলিশ সুপার আকরামুল হোসেন বলেন, এই চোরাচালানের সঙ্গে আরো কয়েকজন সম্পৃক্ত রয়েছেন। আমরা গ্রেফতার রুহুল আমিনকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। আশা করছি তার মাধ্যমে আমরা আরও তথ্য পাবো। ওই ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পেরেছি শেরপুরের সীমান্ত দিয়ে চিনিগুলো আসছে না। সেগুলো ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটের সীমান্ত দিয়ে আসছে। তবে শেরপুরকে রুট হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখানে স্টোর প্লেস হিসেবেও ব্যবহার করা হচ্ছে। আমরা সেটি প্রতিরোধেও কাজ করছি।