ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ উপজেলার হাটিলা পূর্ব ইউনিয়নের নোয়াপাড়া সড়কের হাঁট খোলা বাড়ির পাশের খালে। শুক্রবার সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এক নারী তার গৃহপালিত হাঁস ধরতে খালটিতে নামেন। পরে খালে কচুরিপানার নিচে চুল দেখতে পেয়ে তিনি ভয়ে চিৎকার দেন। পরে বিষয়টি দেখে পুলিশে খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সার্কেল) পংকজ কুমার দে ও হাজীগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ আব্দুর রশিদ ও সহকারী উপ-পরিদর্শক জাফর আহমেদ ঘটনাস্থলে এসে মরদেহ উদ্ধার করেন।
.png)
এদিকে ঘটনাটি তদন্তের জন্য খবর দেওয়া হয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)। তারা রাতেই মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (হাজীগঞ্জ-ফরিদগঞ্জ সাকেল) পংকজ কুমার দে জানান, ধারণা করা হচ্ছে, কয়েক দিন ধরে মরদেহটি এই খালে পড়ে ছিল। স্থানীয়রা কেউ যেহেতু মরদেহের পরিচয় জানেন না, তা হলে সন্দেহ থাকছে। কেউ মেরে এখানে ফেলে গেছে কি না তদন্তের মাধ্যমে সেটি বেরিয়ে আসবে। এখনো মরদেহের পরিচয় পাওয়া যায়নি। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং পরিচয় শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চাঁদপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) মোস্তফা কামাল রাশেদ বলেন, মরদেহের বেশিরভাগ অংশ পচে-গলে গেছে। তার পরিচয় শনাক্ত করতে ফিঙ্গার প্রিন্ট নেয়া পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। তারপরও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।