বৃহস্পতিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতের বিচারক নাজমুল হক শ্যামলের আদালত আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত সুজন কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ থানার সাতারপুর এলাকার আব্দুল হকের ছেলে।
.png)
বিষয়টি নিশ্চিত করে কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আবদুর রশিদ বলেন, রূপগঞ্জ থানার দায়ের করা শিশু অপহরণ করে হত্যা মামলায় আদালত এক যুবককে মৃতুদণ্ড প্রদান করেছেন। রায় ঘোষণার সময়ে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি পলাতক ছিলেন।
আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রকিবুদ্দিন আহমেদ রকিব বলেন, ২০১৭ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি রূপগঞ্জের ভুলতা থেকে সাত বছরের শিশু তাইজুল ইসলাম নিখোঁজ হয়। এ ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। পরদিন (৪ ফেব্রুয়ারি) ভুক্তভোগী শিশুর বড় ভাই মাজহারুল ইসলামকে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দারি করা হয়। পরে ৫ হাজার টাকা বিকাশ করলে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়।
পুলিশ ঐ বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে সুজনকে গ্রেফতার করে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তিনি জানান, ঘটনাকে গোপন করার জন্য শিশুকে হত্যা করা হয়। সেইসঙ্গে লাশ গুম করার জন্য রূপগঞ্জের গোলাকন্দাইল বালুর মাঠের কচুরি পনার মধ্যে ফেলে দেওয়া হয়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী শিশুর বাবা আব্দুল আউয়াল রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার বিচার কার্যক্রম শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত।