এ ঘটনার অন্য তিন আসামির মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পান। জরুল ও সুলতান আহমেদ মামলা চলাকালীন সময় মারা যান।
বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কুমিল্লার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ চতুর্থ আদালতের বিচারক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এ রায় দেন।
.png)
রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী কৌঁসুলি (এপিপি) অ্যাডভোকেট রেবেকা সুলতানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আল আমিন দেবিদ্বার উপজেলার ভিংলা বাড়ি গ্রামের সাজু মিয়ার ছেলে।
আদালত সূত্র জানায়, সৌদি আরবের আকামা (কাজের অনুমতিপত্র) না পেয়ে আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে ২০১০ সালের ৩ মার্চ দিবাগত রাতে একই এলাকার মৃত হাবিবুর রহমানের স্ত্রী আনোয়ারা বেগমকে বালিশচাপা দিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে নিহতের মেয়ে উম্মে সালমা খাতুন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে দেবীদ্বার থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় আল আমিনকে গ্রেফতার করলে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পরে হত্যার রহস্য উদঘাটন করে একই উপজেলার ভিংলা বাড়ির নজরুল ইসলাম (৩৪), মোস্তাফিজুর রহমান (২৬), সুলতান আহমেদ (৬০) ও আল আমিনের (২০) বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। দীর্ঘ শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার এ রায় দেন আদালত।