ভুক্তভোগী গৃহবধূ চম্পা বেগম উপজেলার ভবানীপুর এলাকার মৃত আব্দুল মন্নান ফরাজির মেয়ে। তার স্বামী রিপন খান চাঁদপুরা এলাকার দেলোয়ার খানের ছেলে।
ওই গৃহবধূর অভিযোগ, মোবাইলফোনে প্রেমের সম্পর্কের জেরে ২০২১ সালে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের বিষয়টি তখন তার স্বামী পরিবারের অন্য সদস্যদের জানায়নি। কিছুদিন সংসার করার পরে তার স্বামী ওমানে চলে যান। প্রবাসে গিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন রিপন। এরপর বিষয়টি স্থানীয় ইউপি সদস্য নান্নু মিয়াকে অবহিত করেন তিনি। পরে রিপনের পরিবারের সঙ্গে মেম্বারের মধ্যস্ততায় একাধিক সালিস-বৈঠক হলেও কোনো প্রকার সমঝোতা হয়নি। গত ২৩ মে রিপন দেশে ফেরেন। এরপর শুক্রবার বিকেলে স্ত্রীর মর্যাদার দাবিতে রিপনের বাড়িতে যান তিনি। তাকে দেখে রিপন বাড়ি থেকে পালিয়ে যান। আর তার শ্বাশুড়ি ও দেবররা তাকে মারধর করার হুমকি দেন। খবর পেয়ে স্থানীয় মেম্বারসহ গণ্যমান্য ব্যক্তি ওই বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।
.png)
গৃহবধূর বড় বোন রেহানা বেগম জানান, রিপন বিদেশে যাওয়ার সময় আড়াই লাখ টাকা নিয়েছেন। এরপরও কয়েক দফা আমার বোনের টাকা চেয়েছেন তিনি। যৌতুকের টাকা না দিতে পারায় তিনি আমার বোনের সঙ্গে এমন করছেন। রিপনের মা ও ভাইয়েরা আমার বোনকে মারধরের হুমকি দিচ্ছেন।
এ বিষয়ে গৃহবধূ চম্পা বেগমের স্বামী রিপন খান বলেন, মেম্বারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সালিসি ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করা হবে।
স্থানীয় নাচনমহল ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নান্নু মিয়া বলেন, চম্পা বেগম স্ত্রী হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে শুক্রবার বিকেল থেকে রিপনের বাড়িতে অবস্থান নিয়েছেন। বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করছি।