ফ্যাশন হাউজ ও তৈরি পোশাকের দোকানের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পিছিয়ে নেই কসমেটিকস ও জুতার দোকানগুলো। ঈদকে সামনে রেখে লোহাগড়ায় ফ্যাশন হাউজগুলোয় কেনাবেচার ধুম পড়েছে।
গত বারের তুলনায় এবার দাম বেশি। তবে পোশাকে এসেছে বেশ বৈচিত্র। প্রতিষ্ঠানের সাজসজ্জার কাজ সম্পন্ন করেই মালিকেরা শুরু করেছেন বিকিকিনি। নতুন নতুন দোকানে এরাই মধ্যে তরুণ-তরুণীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে। শতরূপা, এস কে ফ্যাশন, শুভেচ্ছা ফ্যাশন, আলিফ ফ্যাশন, রয়েল ফ্যাশন, স্বপ্নসিঁড়ি লেডিসকর্ণারসহ অন্যান্য ছিট কাপড় ও তৈরি পোশাকের দোকানে দিনে প্রচণ্ড গরমে ভিড় একটু কম হলেও সন্ধ্যার পর পরই ক্রেতাদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে দোকানগুলো। ছিট কাপড়ের দোকানে পছন্দের পোশাক তৈরির জন্য দর্জিদের কাছে ভিড় করছেন তরুণীরা।
.png)
গত বছরের তুলনায় এবার পোশাকের দাম বেশি হওয়ায় নিম্নবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। অবশ্য নিম্নবিত্তদের কথা চিন্তা করে এরই মধ্যে প্রেসক্লাবের সামনে ফুটপাতে বেশ কয়েকটি পোশাকের দোকান দিয়েছে স্বল্পপুঁজির ব্যবসায়ীরা। বাজারের ভেতরের চেয়ে এইসব মার্কেটে জমে উঠেছে বেচাকেনা।
লোহাগড়া বাজারের শতরূপা গার্মেন্টেস এ বেশি ভিড় লক্ষ্য করা যায়। এখানে সব বয়সের মানুষের পোশাকাদির সমারোহ রয়েছে। লোহাগড়া সুপার মার্কেট, মোল্যা মার্কেট, কাশেম মার্কেট, ভুইয়া মার্কেট, মুক্তিযোদ্বা মার্কেটের দোকানগুলোতে ও কেনাবেচা চলছে সমানতালে।
শতরূপা গার্মেন্টেসের মালিক সরূপ সাহা বলেন, পুরোদোমে বিক্রি শুরু হয়েছে তবে এবার প্রচুর বিক্রির আশা করছি। এবার ঈদের পোশাকের নতুন নতুন কালেকশন আছে পোশাকের মূল্য ক্রেতা সাধারণের সামর্থের মধ্যেই আছে। নারীদের মতো সমানতালে মার্কেটে ভিড় জমিয়েছেন শিশু ও পুরুষরা পাঞ্জাবি ও বিভিন্ন ব্যান্ডের গেঞ্জি, টি-শার্ট, ফতুয়া কিনছেন। পোশাকের পাশাপাশি কসমেটিকস ও জুতার দোকানগলোতে ভিড় বাড়ছে।
লোহাগড়া বাজারের নিউ ভাই ভাই কসমেটিকসের দোকান মালিক সাহিদুর রহমান বলেন, গত বারের তুলনায় ক্রেতা বেশি, কেনাবেচাও বেশি। তবে গত সপ্তাহের তুলনায় চলতি সপ্তাহে কেনাবেচা বেড়েছে।
লোহাগড়া থানার ওসি কাঞ্চন কুমার রায় বলেন, ঈদের বাজারে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। আমাদের নিয়মিত টহল পুলিশ কাজ করছে।