শুক্রবার রাতে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে তার মা সুফলা রানী রায় (৭০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়।
শনিবার দুপুরে বিষয়টি ডেইলি বাংলাদেশকে নিশ্চিত করেন কিশেরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পলাশ চন্দ্র মন্ডল।
.png)
নিহত প্রাণকৃষ্ণ রায় সদরের মুসা হিন্দু পাড়া গ্রামের মৃত রজনী কান্ত রায় ও সুফলা রানীর ছোট ছেলে।
নিহতের স্বজন ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্তদের সঙ্গে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। বৃহস্পতিবার বিকেলে তারা ট্রাক্টর দিয়ে নিহতের জমি চাষ করছিলেন। এসময় তারা সেটি দেখতে পেয়ে বাধা দেয়। পরে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে মারধরের ঘটনা ঘটে।
এতে সুফলা রানী ও তার ছেলে প্রাণকৃষ্ণসহ দুইজন গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার রাতে সুফলা রানীর মৃত্যু হয়। পরে শুক্রবার রাত ১১ টার দিকে তার ছোট ছেলে প্রাণকৃষ্ণও চিকিৎসধীন অবস্থায় মারা যায়।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর বড় ছেলে সুবাস চন্দ্র রায় নামীয় ১৬ জন ও অজ্ঞাতনামা ৩ থেকে ৪ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে তিনজনকে গ্রেফতার করেন।
এ বিষয়ে ওসি আরো বলেন, এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকী আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।