মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে জোয়ারে সৈকতের ঝাউবন পয়েন্ট এলাকায় ডলফিনটি ভেসে এলে দেখতে পান ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য জুয়েল রানা।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির সদস্য জুয়েল রানা বলেন, জোয়ারের পানিতে ডলফিনটি ভেসে আসার পর আমি এটি দেখতে পাই। তবে আমাদের পূর্ব অভিজ্ঞতা বলছে ডলফিনটি মারা গেছে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা আগে। এটির শরীর এখনো একদম তাজা। তবে কী কারণে এটির মৃত্যু হয়েছে তা স্পষ্ট নয়।
.png)
সমুদ্রের নীল অর্থনীতি, উপকূলের পরিবেশ-প্রতিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য নিয়ে কাজ করা গবেষণা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্ল্ডফিশের ইকোফিশ-২ বাংলাদেশ প্রকল্পের সহযোগী গবেষক সাগরিকা স্মৃতি বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে যে পরিমাণ জীবিত ও মৃত্যু ডলফিন আসছে তাতে মনে হচ্ছে সমুদ্র তার আগের পরিবেশ হারাচ্ছে। বর্তমানে জেলেরাও নেই সমুদ্রে। আমরা ডলফিনের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছি।
কুয়াকাটা ডলফিন রক্ষা কমিটির টিম লিডার রুমান ইমতিয়াজ তুষার জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিদর্শন শেষে বনবিভাগ ও ব্লু-গার্ডের সদস্যদের খবর দেওয়া হয়। এই উপকূলীয় এলাকাজুড়ে আমরা সার্বক্ষণিক কাজ করছি ডলফিন নিয়ে। আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি যাতে এই মৃত্যুর সঠিক কারণগুলো বের করা হয়।
বনবিভাগের মহিপুর রেঞ্জ কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বলেন, ডলফিন রক্ষা কমিটির মাধ্যমে বিষয়টি শুনেছি। যাতে দুর্গন্ধ না ছড়ায় সেজন্য আমাদের সদস্যদের পাঠিয়ে দ্রুত মাটিচাপা দেওয়ার ব্যবস্থা করা যাবে।