প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেলে বাজার থেকে বাড়ির জন্য কিছু ফল কেনেন গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার। ফল কিনে মোটরসাইকেলে সরিষাডাঙ্গা গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার সময় পথে দুর্বৃত্তরা দেশি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নীলমণিগঞ্জ মসজিদের ফটকের সামনে তার গতি রোধ করে। এরপর তারা তাকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত জখম করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ধারালো অস্ত্রের আঘাতে কৃষক লীগের এই নেতার মাথা, কপাল, ঘাড় ও কোমরে বড় ধরনের ক্ষতের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় লোকজন তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নেয়ার পথে সদর উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামে তিনি মারা যান।
.png)
নীলমণিগঞ্জ বাজারের কয়েকজন বলেন, কবিখালী গ্রামের একজন মাংস বিক্রেতার নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরা এই হামলা চালিয়েছেন।
তাদের ভাষ্যমতে, চেয়ারম্যান থাকাকালীন গোলাম ফারুক জোয়ার্দ্দার কবিখালী গ্রামের ওই মাংস বিক্রেতাকে জরিমানা ও শাস্তি দিয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে, তারই প্রতিশোধ হিসেবে আজ বিকেলে এই হামলা চালানো হয়। যা মানুষের মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়েছে।
জেলা প্রশাসক কিসিঞ্জার চাকমা বলেন, খুনের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবগত করা হবে।